গত রাত্রে সদ্য ব”হিষ্কৃ’ত আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য হেলেনা জাহাঙ্গীরকে র‍্যা’ব আ’ট’ক করেছে। এখন র‍্যাব তাকে জি”জ্ঞাসাবাদ করছে। হেলেনা জাহাঙ্গীরের অফিস জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন এবং আইপিটিভি

জয়যাত্রা টেলিভিশনেও র‍্যাব অভি”যান পরিচালনা করে। হেলেনার বাসায় বিপুল পরিমাণ মা’দ’ক, বি’দে’শী মুদ্রা এবং অ”বৈধ অনেক জি’নি’সপ’ত্র পাওয়া গেছে। এগুলো নিয়ে পৃথক পৃথক ‘মা’ম’লা হবে বলে জানা

গেছে। চাকরিজীবী লীগ করার পর থেকেই হেলেনা জাহাঙ্গীর আলো’চনায় আসেন এবং সে সময় তাকে আওয়ামী লীগের ম’হিলা বিষয়ক উপ-কমিটি থেকে অ’ব্যা’হ’তি দেওয়া হয়। এর পরপরই হেলে’না জাহাঙ্গীররা কিভাবে আওয়ামী লীগে ঢুকলো তা নিয়ে আওয়ামী লীগে ব্যাপক তো’ল’পা’ড় চলে এবং শে’ষপ’র্য’ন্ত হেলেনা জাহাঙ্গীর গ্রে’প্তা’র হলেন। কিন্তু হেলেনা জাহাঙ্গীর গ্রে’প্তা’র হলেই হবে না এমনটি মনে করছেন আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী।

তারা মনে করছেন যে, হেলেনা জাহাঙ্গীরের মত ব্যক্তিরা কিভাবে আওয়ামী লীগে আসে তার উ’ৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। না হলে এক পাপিয়া, শাহেদ এবং হেলেনা জাহাঙ্গীরের পর নতুন আরেকজন হেলেনা জাহাঙ্গীর তৈরি হবে। হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষ’য়ক উপ-কমিটির সদ’স্য ছিলেন। তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। কারা তাকে আওয়ামী লীগে নিয়ে এলো এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। আওয়ামী লীগের অনেকেই জানেন এই বিষয়টি কিন্তু তারা মুখ খুলছেন না।

জয়যাত্রা টেলিভিশন নাম কথিত আইপি টেলিভিশনে একজন মন্ত্রী অংশীদার বলে কথিত রয়েছে। একজন মন্ত্রীর সুপারিশেই হেলেনা আওয়ামী লীগের উপকমিটিতে যুক্ত হয়েছিলেন। তা’ছাড়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের ফেসবুক এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ঘাটলে দেখা যায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি ছবি তু’লেছেন।

এইসব ছবি কি নিছকই ছবি নাকি তাদের সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের অন্যকোন সম্পর্ক ছিল -এই বিষ’য়গুলো নিয়ে আ’সলে অনু’স’ন্ধান করা দরকার। তা না হলে এরকম অবৈধ অনুপ্রবে’শের ছি’দ্র কখনোই বন্ধ হবে না এমনটি মনে করছেন আওয়ামী লীগের নেতৃ’বৃন্দ।